প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর সুন্দরবন

সুন্দরবনের গুরুত্বপূর্ণ জায়গা

কটকা

কটকা হলো সাফারি এবং বাঘ দেখার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি, একই সঙ্গে পাখি পর্যবেক্ষণের জন্যও এটি একটি চমৎকার স্থান। কটকা বহু বিরল ও রাজসিক বন্য প্রাণীর জন্য বিখ্যাত।

হিরণ পয়েন্ট

হিরণ পয়েন্ট একটি মনোমুগ্ধকর স্থান, যেখানে বাঘসহ অন্যান্য দুর্লভ ও চমকপ্রদ বন্য প্রাণী দেখা যায়। এটি নীলকমল নামেও পরিচিত।

আলিবান্দা

আলিবান্দা সুন্দরবনের একটি নতুন ইকোট্যুরিজম কেন্দ্র, যা শরণখোলা রেঞ্জে অবস্থিত। এটি কম সময়ে ও কম খরচে পৌঁছানো যায়, তাই সহজেই ঘুরে দেখা যায়। এখানে রয়েছে ৫০ ফুট উঁচু ওয়াচ টাওয়ার, ১ কিলোমিটার প্রকৃতি পথ, হরিণ দেখার জায়গা ও কুমির রয়েছে পুকুরে।

কালাগাছিয়া

কালাগাছিয়া সুন্দরবনের অন্যতম জনপ্রিয় ইকোট্যুরিজম কেন্দ্র, যা শরণখোলা রেঞ্জে অবস্থিত। এটি মংলা ও খুলনা অঞ্চল থেকে সহজে ভ্রমণযোগ্য। এখানে একটি ওয়াচ টাওয়ার, প্রাকৃতিক বনভূমি, হরিণ ও নানা বন্যপ্রাণী দেখা যায়।

কচিখালি

কচিখালি সুন্দরবনের একটি সুন্দর ও জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র। এই স্থানের প্রধান আকর্ষণ হলো হরিণ, সাপ, কুমির এবং রঙিন বিভিন্ন প্রজাতির পাখি।

দুবলার চর

দুবলার চর একটি সুন্দর দ্বীপ, যা মনোরম দৃশ্যের জন্য বিখ্যাত। এটি মাছ ধরার জন্য প্রসিদ্ধ এবং প্রচুর পরিমাণে মাছ পাওয়া যায় বলে এটি জেলেদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান।

ডবেকী

ডবেকী সুন্দরবনের একটি চমৎকার পর্যটন স্থান। এটি মূলত একটি মিষ্টি পানির জলাশয়, যার চারপাশ ঘিরে ঘন বন। ডবেকীর শান্ত পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য পর্যটকদের আকৃষ্ট করে।

হারবাড়িয়া

হারবাড়িয়া সুন্দরবনের একটি অন্যতম আকর্ষণীয় ও বিপজ্জনক স্থান, যাকে বলা হয় বাঘের ঘর। পর্যটকদের জন্য এটি একটি জনপ্রিয় গন্তব্য।

সুন্দরবন ভ্রমণের পরিকল্পনা আছে কী ?

আপনি কি ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন এবং খুলনা থেকে সুন্দরবনের জন্য সবচেয়ে সাশ্রয়ী ও সেরা ট্যুর প্যাকেজ খুঁজছেন? তাহলে আপনি সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আমরা ১৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে স্থানীয় ট্যুর অপারেটর হিসেবে পরিচিত এবং পুরো সুন্দরবনের প্রতিটি কোণা ও পথ আমাদের নখদর্পণে। সুন্দরবনের সেরা ট্যুর গাইড এবং ট্রিপ প্ল্যানার হিসেবে আমরা আমাদের সাশ্রয়ী ও নির্ভরযোগ্য পরিষেবার জন্য শক্তিশালী সুনাম অর্জন করেছি।
sundorban

সজনেখালি ওয়াচ টাওয়ার

সজনেখালি ওয়াচ টাওয়ার হলো সুন্দরবন অঞ্চলের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ আকর্ষণ, যা অন্যান্য টাওয়ারের সমস্ত সুবিধা প্রদান করে আরও অনেক কিছু যোগ করে। এটি সেই স্থান, যেখানে পর্যটকেরা বিখ্যাত রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার দেখতে পাওয়ার সুযোগ পান, এবং জীবন্ত অ্যাকশনে ভয়ংকর কুমির দেখার অভিজ্ঞতা লাভ করেন। বন্যপ্রাণী প্রেমী পর্যটকদের জন্য প্রাঙ্গণের মধ্যে রয়েছে একটি সুসংগঠিত জাদুঘর, যেখানে সুন্দরবনের প্রকৃতির বিভিন্ন তথ্য ও সূক্ষ্ম বিবরণ সংরক্ষিত আছে। কৌতূহল মেটানোর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান হলো কুমির পার্ক। এছাড়াও, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির প্রতিফলন হিসেবে প্রাঙ্গণের মধ্যে একটি প্রখ্যাত বোনোবিবি মন্দির রয়েছে। সজনেখালি টাওয়ার তার এই বহুমুখী আকর্ষণগুলোর জন্য সুন্দরবনের অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্য হিসেবে পরিচিত।

সজনেখালি ওয়াচ টাওয়ার

সজনেখালি ওয়াচ টাওয়ার হলো সুন্দরবন অঞ্চলের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ আকর্ষণ, যা অন্যান্য টাওয়ারের সমস্ত সুবিধা প্রদান করে আরও অনেক কিছু যোগ করে। এটি সেই স্থান, যেখানে পর্যটকেরা বিখ্যাত রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার দেখতে পাওয়ার সুযোগ পান, এবং জীবন্ত অ্যাকশনে ভয়ংকর কুমির দেখার অভিজ্ঞতা লাভ করেন। বন্যপ্রাণী প্রেমী পর্যটকদের জন্য প্রাঙ্গণের মধ্যে রয়েছে একটি সুসংগঠিত জাদুঘর, যেখানে সুন্দরবনের প্রকৃতির বিভিন্ন তথ্য ও সূক্ষ্ম বিবরণ সংরক্ষিত আছে। কৌতূহল মেটানোর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান হলো কুমির পার্ক। এছাড়াও, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির প্রতিফলন হিসেবে প্রাঙ্গণের মধ্যে একটি প্রখ্যাত বোনোবিবি মন্দির রয়েছে। সজনেখালি টাওয়ার তার এই বহুমুখী আকর্ষণগুলোর জন্য সুন্দরবনের অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্য হিসেবে পরিচিত।
Scroll to Top