সুন্দরবন ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন?
সুন্দরবনে ভ্রমন এখন অরণ্য বিলাসে
সুন্দরবনের আকর্ষণীয় ট্যুর প্যাকেজ
🗺️ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর সুন্দরবন এবং সাগরের অসীম দৃশ্য আপনার জন্যই!
**আমাদের জাহাজে ২ টি ডাবল ইঞ্জিন আছে, ৩ টি জেনেরেটর আছে, পানি র্নিনয় করার জন্য ইকো সাউন্ড আছে। অন্য জাহাজের সাথে যোগাযোগ করার জন্য বি এস এফ আছে।
**যারা সুন্দরবন ট্যুর করে তারা, এম.ভি অরণ্য বিলাস চিনে না এমন মানুষ খুবই কম আছে। আধুনিক রুচি সম্মত বিলাস বহুল লাকজারিয়াস শিপ।
🚢 জাহাজ = এম ভি ( অরন্য বিলাশ )
🚢 জাহাজের বেড কেপাসিটি -৭৫ জন।
🚢 এটাস্ট বাথরুম ১৩ টি।
🚢 কমন বাথরুম ৯ টি।
🚢 এসি এবং নন এসি ক্রজ শীপ ।
নিরাপত্তা:পর্যাপ্ত লাইভ বয়া,লাইভ জ্যাকেট এবং
অগ্নিনিবাপক ব্যবস্থা সহ আছে আরও প্রয়োজনীয় ইকুপমেন্ট
গেষ্টের নিরাপত্তা নিয়ে আমরা কখনো আপস করি না।
আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার থাকে গেষ্টের নিরাপত্তা নিয়ে।
বন বিভাগ থেকে থাকবে সার্বক্ষণিক আর্মসসহ নিরাপত্তা কর্মি।
আমাদের ট্যুর প্যাকেজ
সুন্দরবন ট্যুর প্যাকেজ
২ দিন ৩ রাত
- ২ দিন প্রিমিয়াম হাউজ বোটে থাকা
- ২ দিন প্রিমিয়াম হাউজ বোটে থাকা
- ২ দিনের ৫ বেলা মেইন ফুড ও ৪ বেলা স্ন্যাক্স,
- ২ দিনের ৫ বেলা মেইন ফুড ও ৪ বেলা স্ন্যাক্স,
- কেবিনে লাইট, ফ্যান, লকার সিস্টেম এবং চার্জিং পয়েন্ট
- কেবিনে লাইট, ফ্যান, লকার সিস্টেম এবং চার্জিং পয়েন্ট
- পর্যাপ্ত লাইফ জ্যাকেট
- পর্যাপ্ত লাইফ জ্যাকেট
- দক্ষ বার্চার সহায়তায় হাউজবোট ক্রুজ খাওয়ার
- দক্ষ বার্চার সহায়তায় হাউজবোট ক্রুজ খাওয়ার
সুন্দরবন ট্যুর প্যাকেজ
২ দিন ৩ রাত
- ২ দিন প্রিমিয়াম হাউজ বোটে থাকা
- ২ দিন প্রিমিয়াম হাউজ বোটে থাকা
- ২ দিনের ৫ বেলা মেইন ফুড ও ৪ বেলা স্ন্যাক্স,
- ২ দিনের ৫ বেলা মেইন ফুড ও ৪ বেলা স্ন্যাক্স,
- কেবিনে লাইট, ফ্যান, লকার সিস্টেম এবং চার্জিং পয়েন্ট
- কেবিনে লাইট, ফ্যান, লকার সিস্টেম এবং চার্জিং পয়েন্ট
- পর্যাপ্ত লাইফ জ্যাকেট
- পর্যাপ্ত লাইফ জ্যাকেট
- দক্ষ বার্চার সহায়তায় হাউজবোট ক্রুজ খাওয়ার
- দক্ষ বার্চার সহায়তায় হাউজবোট ক্রুজ খাওয়ার
সুন্দরবন ট্যুর প্যাকেজ
২ দিন ৩ রাত
- ২ দিন প্রিমিয়াম হাউজ বোটে থাকা
- ২ দিন প্রিমিয়াম হাউজ বোটে থাকা
- ২ দিনের ৫ বেলা মেইন ফুড ও ৪ বেলা স্ন্যাক্স,
- ২ দিনের ৫ বেলা মেইন ফুড ও ৪ বেলা স্ন্যাক্স,
- কেবিনে লাইট, ফ্যান, লকার সিস্টেম এবং চার্জিং পয়েন্ট
- কেবিনে লাইট, ফ্যান, লকার সিস্টেম এবং চার্জিং পয়েন্ট
- পর্যাপ্ত লাইফ জ্যাকেট
- পর্যাপ্ত লাইফ জ্যাকেট
- দক্ষ বার্চার সহায়তায় হাউজবোট ক্রুজ খাওয়ার
- দক্ষ বার্চার সহায়তায় হাউজবোট ক্রুজ খাওয়ার
সুন্দরবনের গুরুত্বপূর্ণ জায়গা

কটকা
কটকা হলো সাফারি এবং বাঘ দেখার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি, একই সঙ্গে পাখি পর্যবেক্ষণের জন্যও এটি একটি চমৎকার স্থান। কটকা বহু বিরল ও রাজসিক বন্য প্রাণীর জন্য বিখ্যাত।

হিরণ পয়েন্ট
হিরণ পয়েন্ট একটি মনোমুগ্ধকর স্থান, যেখানে বাঘসহ অন্যান্য দুর্লভ ও চমকপ্রদ বন্য প্রাণী দেখা যায়। এটি নীলকমল নামেও পরিচিত।

আলিবান্দা
আলিবান্দা সুন্দরবনের একটি নতুন ইকোট্যুরিজম কেন্দ্র, যা শরণখোলা রেঞ্জে অবস্থিত। এটি কম সময়ে ও কম খরচে পৌঁছানো যায়, তাই সহজেই ঘুরে দেখা যায়। এখানে রয়েছে ৫০ ফুট উঁচু ওয়াচ টাওয়ার, ১ কিলোমিটার প্রকৃতি পথ, হরিণ দেখার জায়গা ও কুমির রয়েছে পুকুরে।

কালাগাছিয়া
কালাগাছিয়া সুন্দরবনের অন্যতম জনপ্রিয় ইকোট্যুরিজম কেন্দ্র, যা শরণখোলা রেঞ্জে অবস্থিত। এটি মংলা ও খুলনা অঞ্চল থেকে সহজে ভ্রমণযোগ্য। এখানে একটি ওয়াচ টাওয়ার, প্রাকৃতিক বনভূমি, হরিণ ও নানা বন্যপ্রাণী দেখা যায়।

কচিখালি
কচিখালি সুন্দরবনের একটি সুন্দর ও জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র। এই স্থানের প্রধান আকর্ষণ হলো হরিণ, সাপ, কুমির এবং রঙিন বিভিন্ন প্রজাতির পাখি।

দুবলার চর
দুবলার চর একটি সুন্দর দ্বীপ, যা মনোরম দৃশ্যের জন্য বিখ্যাত। এটি মাছ ধরার জন্য প্রসিদ্ধ এবং প্রচুর পরিমাণে মাছ পাওয়া যায় বলে এটি জেলেদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান।

ডবেকী
ডবেকী সুন্দরবনের একটি চমৎকার পর্যটন স্থান। এটি মূলত একটি মিষ্টি পানির জলাশয়, যার চারপাশ ঘিরে ঘন বন। ডবেকীর শান্ত পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য পর্যটকদের আকৃষ্ট করে।

হারবাড়িয়া
হারবাড়িয়া সুন্দরবনের একটি অন্যতম আকর্ষণীয় ও বিপজ্জনক স্থান, যাকে বলা হয় বাঘের ঘর। পর্যটকদের জন্য এটি একটি জনপ্রিয় গন্তব্য।